বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

সন্দেহ চোর, তাই যুবকের মাথা ন্যাড়া শাস্তি!

ছবি ভিডিও থেকে সংগৃীত

ভয়েস প্রতিবেদক, পেকুয়া:

পেকুয়ায় চোর সন্দেহে যুবককে মাথা ন্যাড়া করে শাস্তি

পেকুয়ায় মোবাইল চোর সন্দেহে যুবকের মাথা ন্যাড়া করে শাস্তি দিয়েছে কয়েকজন যুবক। এ রকম একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। মাথা ন্যাড়া করার পাশাপাশি যুবককে শারীরিক ও মানসিকভাবেও নির্যাতন করা হয়। তবে ভিডিওটি কারা, কখন, কিভাবে ধারণ করা হয়েছে সেই বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।অনুমান করা যাচ্ছে কক্সবাজার শহরের কোন এক বাসায় তার মাথাটি ন্যাড়া করে শাস্তি দেয়া হচ্ছে ভিডিওর কথোপকথনে এমন শুনা যাচ্ছে।

জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলার সদর ইউপির তেলিয়াকাটা এলাকার মঞ্জুর মেম্বারের ছেলে সিফাতুল্লাহ। কিছুদিন আগে ফেসবুকে এ ছেলেটির ছবি পোষ্ট করে বেশ কয়েকজন যুবক মোবাইল চোর বলে প্রচার চালায়। সর্বশেষ তার মাথা ন্যাড়া ও শারীরিক মানসিক নির্যাতন করে শাস্তি দেয়া হয়।

ভিডিওটি বিশ্লষণ করে দেখা যাচ্ছে, একটি বাসায় তিন চারজন যুবক তাকে ঘিরে ধরে আছে। একজন যুবক চুল কাটার কাঁচি নিয়ে তার চুলগুলো এলোমেলোভাবে কেটে দিচ্ছে। একই সাথে তার পিতা মাতাকে গালি দেয়ার পাশাপাশি চড়-তাপ্পড় মারা হচ্ছে। এছাড়াও জোরর্পূবক তার মুখ থেকে চোর হিসাবে স্বীকারোক্তি আদায় করা হচ্ছে।

এবিষয়ে সিফাতুল্লাহর এক আত্মীয় জানান, ছেলেটি আনোয়ারুল উলুম আলিম মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র। এছাড়াও সে হেফজখানার ছাত্র ছিল। পিতা মঞ্জুর আলম পেকুয়া সদর ইউপির সাবেক ইউপি সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। খুব সম্ভ্রান্ত বংশের ছেলে সিফাতুল্লাহ। কিছুদিন আগে পেকুয়ার এক যুবক তার ফেসবুক পোষ্টে তার ছবি দিয়ে মোবাইল চুরির কথা প্রচার করে। আমরা এ বিষয়ে সিফাতুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করলে সেই চুরির বিষয়টি অস্বীকার করেন। সেই সময় সিফাতুল্লাহ জানান, কিছু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

সর্বশেষ আগের বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে পোষ্টকারী ব্যক্তিরা তাকে মারধর করার পাশাপাশি কাঁচি নিয়ে চুলগুলো এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছে। সেই যদি চুরি অথবা অপরাধ করে থাকে তাহলে তাকে আইনের হাতে তুলে দিতে পারতো। এমন নির্যাতন কিছুতেই করতে পারেনা। এছাড়াও বর্বর ঘটনাটি ঘটার পর তারা ভিডিও ধারণ করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। এ ঘটনায় তাদের শাস্তি দাবী করছি।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION